পেওনিয়ার মাস্টারকার্ডের জন্য আবেদন ও অ্যাপ্রুভালের বিস্তারিত

how-to-get-payoneer-card

আমরা যারা অনলাইনে আউটসোর্সিং এর সাথে যুক্ত আছি, আমাদের প্রত্যেকেরই অর্জিত অর্থ দেশে আনার জন্য অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে পেপাল, স্ক্রিল, পেওনিয়ারসহ অন্যান্য মাধ্যম ব্যাবহার করতে হয়। কিন্তু আউটসোর্সিং এ যারা নতুন তারা প্রথমে এবিষয়ে খুবই চিন্তাই পড়ে যান, কিভাবে টাকা দেশে আনেবো, এই ভেবে। এছাড়া যারা অনলাইনের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত তাদেরও বিদেশি ক্লায়েন্ট এর টাকা দেশে আনার ব্যাপারে দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। আসলে না জানার কারনেই তাদের মধ্যে এতো দুশ্চিন্তা কাজ করে। স্বল্প খরচেই বিদেশ থেকে টাকা দেশে আনা কোনো ব্যাপারই না। দরকার শুধুমাত্র একটি পেওনিয়ার মাস্টারকার্ড। উল্লেখ্য এই কার্ডটি নিতে কোনো টাকা লাগে না।

পেওনিয়ার কি?

পেওনিয়ার হচ্ছে একটি আন্তর্জাতিক মানি সার্ভিস দেয়া প্রতিষ্ঠান। যারা মূলত পেমেন্ট গেটওয়ে হিসেবে কাজ করে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইউর্ক শহরে অবস্থিত এর অফিস। বিশ্বের ২০০ টির বেশি দেশে এরা সেবা দিয়ে থাকে। পেওনিয়ারে একাউন্ট ওপেন করলে ওরা আপনাকে একটি মাস্টারকার্ড দেবে যা দিয়ে আপনি মানি ট্রান্সফার করতে পারবেন। এছাড়া পেওনিয়ার আপনাকে ভার্চুয়াল ব্যাংক একাউন্ট দেবে, যা মূলত একটি ইউ এস ব্যাংক একাউন্ট। অর্থাৎ আপনি বাংলাদেশে বসে একটি আমেরিকান ব্যাংক একাউন্ট হোল্ড করছেন। একজন আমেরিকায় বসবাসকারী ব্যক্তি তার একাউন্ট দিয়ে যে সুবিধাগুলো পেয়ে থাকে আপনিও তা পাবেন।

পেওনিয়ার মাস্টারকার্ড ব্যবহারের সুবিধা:

১. পেওনিয়ার একাউন্টে থাকা ডলার আপনি যেকোনো সময় বাংলাদেশে অবস্থিত মাস্টারকার্ড চিহ্ন সম্বলিত এটিএম বুথ থেকে টাকায় পরিনত করে তুলতে পারবেন।

২. আবার চাইলে সরাসরি বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকে টাকা ট্রান্সফারও করতে পারেন।

৩. এই কার্ড দিয়ে আপনি অনলাইনে কেনা কাটাও করতে পারবেন।

৪. হোস্টিং ডোমেইন সহ অন্যান্য অনলাইন সেবার বিল পরিশোধ করতে পারবেন।

৫. পেওনিয়ারের একাউন্টের মাধ্যমে আপনি আমেরিকার (USA) একটি ব্যাংকের একাউন্ট (চিত্র-১) পাবেন। যার মাধ্যমে আপনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট থেকে ব্যংকে ডিডি’র মাধ্যমে ডলার নিতে পারবেন। প্রেরনকারীকে আপনার ব্যাংক একাউন্টের নাম, রাউটিং নম্বর ও একাউন্ট নম্বর দিলে সে আপনার একাউন্টে ডলার সেন্ট করে দিবে।

৬. আপনার এই পেওয়োনিয়ার একাউন্ট ও কার্ডের মাধ্যমে পেপালের একাউন্টটি বাংলাদেশে বসে ভেরিফাইড করতে পারবেন।

৭. অডেস্ক বা অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে অর্থ উত্তোলন করে নিজের পকেটে ঢুকাতে পারবেন।

৮. ফেসবুকে আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে বিজ্ঞাপন চালাতে অন্য কারো দ্বারস্থ হতে হবে না। এই কার্ড দিয়েই বিল পরিশোধ করতে পারবেন।

how-to-get-payoneer-card

চিত্র-১

পেওনিয়ার মাস্টার্ কার্ডের জন্য আবেদন:

তো আর কথা না বাড়িয়ে কিভাবে পেয়োনিয়ার এ সফলভাবে একাউন্ট ওপেন করা যায় সেই বর্ননা দেব। প্রথমে উল্লেখিত পেওনিয়ার সাইন আপ লিংকে গিয়ে সাইন আপ করে নিন। এই লিংকটি একটি রেফারেল লিংক। এটি ব্যবহারের সুবিধা হচেছ, এর মাধ্যমে আপনার পেওনিয়ার একাউন্টে ২৫ ডলার ফ্রি যোগ হবে। আবার যার রেফারেল তার একাউন্টেও ২৫ ডলার যোগ হবে। আপনার যেহেতু ২৯.৯৫ ডলার কার্ড একটিভ করার সময় কেটে রেখে দেবে, তাই এই রেফারেল লিংকটি ব্যবহার করা উত্তম। এই ২৫ ডলার কিন্তু আপনি বা আমি কেউ কাউকে দেবো না, এটা পেইয়োনিয়ার তাদের বিজনেস সম্প্রসারনের জন্য একাউন্ট হোল্ডারদের দিয়ে নতুন ব্যবহারকারী বৃদ্ধি উৎসাহিত করতে দিয়ে থাকে। তবে এই ফ্রি ২৫ ডলার পেতে হলে একাউন্টে ১০০ ডলার জমা করতে হবে। তাই কেউ ২৫ ডলার পাওয়ার জন্য একাউন্ট করবেন না। লাভ নেই।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস:

পেওনিয়ার কার্ডের জন্য আবেদনের পূর্বে আপনাকে অবশ্যই ভোটার আইডি কার্ড, পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর যেকোনো একটির পরিস্কার স্ক্যান করা রঙ্গিন ইমেজ সংগ্রহে রাখতে হবে।

আবেদনের ১ম পর্যায়:

উল্লেখিত পেওনিয়ারের রেফারেল লিংকে ক্লিক করলে নতুন একটি পেজ ওপেন হবে (চিত্র-২)। যেখানে নিচের মত একটি সাইন আপ বাটন থাকবে।

পেওনিয়ার কার্ডের জন্য আবেদন

সাইন আপ বাটনে ক্লিক করলে নিচের মত (চিত্র-৩) একটি পেজ আসবে।এখান থেকে নিচের Prepaid MasterCard অপশনটি সিলেক্ট করুন। এর পরে সাইনআপ বাটনে ক্লিক করুন।

পেওনিয়ার কার্ডের জন্য আবেদন

এরপরে নিচের মত (চিত্র-৪) একটি পেজ ওপেন হবে। এখানে আপনার ব্যাক্তিগত তথ্য সঠিকভাবে পূরন করতে হবে। কোনো ভূল তথ্য দেয়া যাবে না। ভূল তথ্য দিলে পরবর্তীতে কার্ড এপ্রুভ করা সমস্যা হবে। তাই হাতে থাকা ডকুমেন্টস অনুযায়ী ফার্স্ট নেম, লাস্ট নেম পূরণ করুন। এরপর ইমেইল এবং ডেট অব বার্থ দিন। কোনো তথ্যই ভুল দেয়া যাবে না। কারন আপনাকে পরে এই তথ্য ভেরিফাই করতে বলা হবে। আর এই ইমেইলটিই হবে আপনার পেওনিয়ারের ইউজার নেম। তাই এই ইমেইলটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। পূরন করা হয়ে গেলে নেক্সট বাটন চাপুন।

পেওনিয়ার কার্ডের জন্য আবেদন

চিত্র-৪

এরপর নিচের মতো (চিত্র-৫) কন্ট্রাক্ট ডিটেলস পেজটি আসবে। এখানে ড্রপডাউন ব্রাউজ করে কান্ট্রি ঠিক করে দিন। তার পরের অপশনে ঠিকানা দিন। ঠিকানা বড় হলে দুই লাইন ব্যবহার করুন। এক লাইনে ৩০ বর্ণের বেশি দিতে পারবেন না। সিটি, পোস্টাল কোডসহ মোবাইল নং দিন। এরপরে নেক্সট বাটনে চাপুন।

http://share.payoneer-affiliates.com/a/clk/2BPnWj

চিত্র-৫

নিচের মত পেজে (চিত্র-৬) প্রবেশ করবেন। এখানে পাসওয়ার্ড ঠিক করুন। যথেস্ট শক্তিশালী পাসওযার্ড দেয়াই উত্তম। আপনার কষ্টার্জিত অর্থের নিরাপত্তা বলে কথা। এরপরে সিকিউরিটি প্রশ্ন ঠিক করে এর Answer ঠিক করুন। সিকিউরিটি প্রশ্নটি আপনাকে মনে রাখতে হবে। কারন পরবর্তীতে যে কোনো যোগাযোগের জন্য এই সিকিউরিটি প্রশ্নের উত্তর লাগবে। আবার নেক্সট বাটনে চাপুন।

পেওনিয়ার মাস্টারকার্ডের জন্য আবেদন

চিত্র-৬

আমরা আবেদনের শেষ ধাপে চলে এসেছি। এরুপ একটি পেজ (চিত্র-৭) ওপেন হবে। আপনার হাতে থাকা ডকুমেন্টস এর কথা জানতে চাইবে। আপনি কি দিয়ে পেওনিয়ার ভেরিফাই করাতে চান তা সিলেক্ট করুন। এখানে ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট অথবা ন্যাশনাল আইডি কার্ড শুধু প্রযোজ্য।

পেওনিয়ার কার্ডের জন্য আবেদন

চিত্র-৭

পেওনিয়ারের জন্য আবেদন

চিত্র-৮

এরপর নিচের চিত্রের মতো (চিত্র-৮) করে আইডি কার্ডের নাম্বার প্রবেশ করান। এখানে শিপিং এড্রেস এর জন্য আরো একটি অপশন রয়েছে। অর্থাৎ আপনি যদি আপনার দেয়া ঠিকানায় কার্ড নিতে না চান, তবে অন্য একটি ঠিকানা ব্যবহার করতে পারেন। যদি এমন হয় যে, আপনি গ্রামে থাকেন। তাই আপনাকে পেওনিয়ারে আবেদনের সময় গ্রামের ঠিকানা দিতে হয়েছে। কিন্তু আপনার ঠিকানায় কার্ড পাওয়া নিশ্চিত নয়। তাই কার্ড ডেলিভারী নিতে চান ঢাকার ঠিকানায়। এমন হলে আপনি এই অপশনে টিক দিয়ে অন্য একটি ঠিকানা দিতে পারেন। এই ঠিকানায় পেওনিয়ার আপনার কার্ড পাঠিয়ে দেবে।

আপনি যদি মনে করেন, আপনার ঠিকানায় কার্ড পৌছতে জটিলতা হতে পারে তবে অন্য কারো ঠিকানায় কার্ড শিপিং নিতে পারেন। বিকল্প ঠিকানা ব্যবহার করতে না চাইলে কিছুই করার দরকার নেই। এই সুবিধা নেয়ার জন্য আপনাকে  Enter alternate shipping address এই অপশনে টিক দিতে হবে। তাহলে নিচের মতো (চিত্র-৯) আসবে। এখানে আপনি আপনার বিকল্প ঠিকানা দিতে পারেন। তবে এই ক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার নাম দিতে হবে। পেওনিয়ার আপনার কার্ড অন্য কারো কাছে হস্তান্তর করবে না। কিন্তু আপনার সুবিধার জন্য অন্য ঠিকানা ব্যবহার করতে দেবে।

পেওনিয়ার কার্ডের জন্য আবেদন

চিত্র-৯

সব পূরন করা হয়ে গেলে পেওনিয়ারের টার্ম এন্ড কন্ডিশনে একমত পোষন করে টিক চিহ্ন দিন। এরপর অর্ডার বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস হয়ে গেলো আপনার পেওনিয়ার মাস্টার কার্ডের জন্য আবেদন। পেওনিয়ার থেকে নিচের মতো (চিত্র-১০) একটি মেইল পাবেন।

পেওনিয়ার কার্ডের জন্য আবেদন

চিত্র-১০

২য় পর্ব:

রেজিস্ট্রেশন পর্ব শেষ। এখন ২য় অর্থাৎ রিভিউ পর্ব শুরু। এবারে পেওনিয়ার কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদন রিভিউ করে দেখবে, আপনাকে মাস্টারকার্ড দেয়া যাবে কিনা। পেওনিয়ার থেকে ১ম ইমেইল পাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই নিচের মত (চিত্র-১১) আরো একটি ইমেইল পাবেন। যেখানে বলা হবে আপনার আবেদন ডিক্লাইন করা হয়েছে।

পেওনিয়ারের জন্য আবেদন

চিত্র-১১

তবে চিন্তা বা ভয়ের কিছু নাই। এই ইমেইলের নিচের দিকে সমাধান দেয়া আছে। আপনাকে বলা হয়েছে contact us এ গিয়ে ইমেইল করার জন্য। ইমেইলের সময় ক্যাটাগরি হিসেবে Account Application উল্লেখ করে দিবেন। Contact us এ ক্লিক করলে নিচের মত (চিত্র-১২) পেজ ওপেন হবে।

পেওনিয়ারের জন্য আবেদন

চিত্র-১২

ফর্মটি সঠিকভাবে পূরন করুন। যে ইমেইল দিয়ে পেওনিয়ার কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন সেটি দিন। Program partner এই ঘরটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে ড্রপডাউন মেনু দেখে আপনার জন্য উপযোগি একটি পার্টনার সেট করুন। যারা ফ্রিল্যান্সিং এর সাথে জড়িত আছেন, তারা কোনো ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস এর নাম দিতে পারেন। মোট কথা এখানে ১০০ এর বেশি কোম্পানি আছে, এর মধ্যে যেখান থেকে আপনার ডলার ইনকামের সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনা আছে সেটি উল্লেখ করুন। যাদের সুবিধামত কোনো কোম্পানি পড়ে না, তারা Payoneer উল্লেখ করে দিতে পারেন। ম্যাসেজ বক্স এ আপনি কেনো কার্ড পাওয়ার যোগ্য তা ১০০০ বর্ণের মধ্যে তুলে ধরেন। এরপরে সাবমিট বাটনে চাপুন। পেওনিয়ার থেকে আপনাকে ধন্যবাদ জানাবে (চিত্র-১৩) যোগাযোগ করার জন্য।

পেওনিয়ারের জন্য আবেদন

চিত্র-১৩

খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হবে না। পেওনিয়ার মাস্টারকার্ডের পক্ষ থেকে আপনাকে একটি ইমেইল করা হবে। ইমেইলটি হবে নিচের চিত্রের (চিত্র-১৪) মত।

পেওনিয়ারের জন্য আবেদন

চিত্র-১৪

এই ইমেইলটি পাওয়ার পরে, আপনাকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস স্কান করে রেডি করতে হবে। এই ইমেইলের মাধ্যমে আপনাকে বলা হয়েছে, (১) আপনি যে পার্টনার কোম্পানির নিকট থেকে অর্থ উত্তোলন করবেন সেই ব্যাপারে বলতে। (২) আর ন্যাশনাল আইডি কার্ড, পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স যে ডকুমেন্টস আপানার কাছে রয়েছে তার স্কান কপি পাঠাতে। সবসময় png বা jpg ফরম্যাটের ফাইল সেন্ড করবেন। ইমেইলের রিপ্লেতে গিয়ে ডকুমেন্টস পাঠাবেন। ইমেজ যদি পরিষ্কার হয়, তবে আপনার কাজ আপাতত শেষ। এবার পেওনিয়ার কর্তৃপক্ষ আপনার দেয়া তথ্য রিভিউ করবে। সবকিছু ঠিক থাকলে একটি কংগ্রাচুলেশন ইমেইল পাবেন (চিত্র-১৫) নিচের মত। যেখানে কার্ড হাতে পাওয়ার তারিখ উল্লেখ থাকবে।

পেওনিয়ার কার্ডের জন্য আবেদন

চিত্র-১৫

তৃতীয় পর্ব:

এইবার পেওনিয়ার আপনার শিপিং এড্রেস এ কার্ড সেন্ট করবে। সাধারনত পেওনিয়ার থেকে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় নেয়া হয়। কিন্তু দশ থেকে বারো দিনের মধ্যে কার্ড পোস্ট অফিসে চলে আসে। সুতরাং আগে থেকেই পোস্টম্যানকে বলে রাখতে হবে। নইলে পোষ্টম্যান অনেক সময় দায়িত্বে অবহেলা করে কার্ড পৌঁছায় না। আমার নিজের কার্ড তিনবারের মাথায় হাতে পেয়েছি (চিত্র-১৬)।

পেওনিয়ার মাস্টারকার্ডের জন্য আবেদন

চিত্র-১৬

কার্ড পাওয়ার পরে পেওনিয়ারে লগিন করে অ্যাক্টিভ করে নিন। অ্যাক্টিভ করার নিয়মাবলী কার্ডের সাথে পাবেন। কার্ডের জন্য চার ডিজিট এর পাসওয়ার্ড সেট করে নিন। একাউন্ট সেটিং এ গিয়ে পাসওয়ার্ড সেট করতে পারবেন। এই পাসওয়ার্ড দিয়ে যেকোনো এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন।

বি:দ্র: এই পোস্টটি মূলত লেখা হয়েছে এফিলিয়েটিং মার্কেটারদের জন্য। এফিলিয়েটিং মার্কেটিং এর পোস্টগুলো কেমন হয়, তা দেখানোর জন্যই এই লেখার অবতারনা। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন।

সবাইকে অনেক ধন্যবাদ, সময় নিয়ে পড়ার জন্য। কোনো ধরনের সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না। চেষ্টা করবো সমাধান দেয়ার জন্য। সময়ে সময়ে প্রয়োজন হলে আপডেট দেয়া হবে। আমাদের ব্লগের লেখা ভালো লাগলে সাবস্কাইব করতে ভুলবেন না। আমাদের ফেসবুক এবং টুইটার, গুগল প্লাস পেজেও লাইক দিয়ে রাখতে পারেন আপডেট জানার জন্য।

Al Amin Azad Mainly Web Developer. But Blogging his passion. He loves to teach people that he know. He has a IT firm who are providing their service all over the world.

2 comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

three × five =